শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০০:৫৭

পূর্ব গুলিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ১৫ বছর ধরে পাঠদান!

অনলাইন ডেস্ক
পূর্ব গুলিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ১৫ বছর ধরে পাঠদান!

চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব গুলিশা গ্রামের পূর্ব গুলিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলছে। প্রায় ১৫ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও ভাঙ্গাচুরা, জরাজীর্ণ এই ভবনেই এখনো চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের দুটি একতলা ভবনের মধ্যে একটি ভবনের দেয়াল ভেঙ্গে ইট বেরিয়ে গেছে, বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা ও ঢালাই খসে পড়ে লোহার রড বের হয়ে আছে এবং সেগুলোতে মরিচা ধরে ভবনটি আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। জানালার অংশ ভেঙ্গে বড়ো ফাঁক সৃষ্টি হয়েছে, যে কোনো সময় বড়ো ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তবুও শ্রেণীকক্ষের অভাবে বাধ্য হয়ে পরিত্যক্ত ভবনের একটি কক্ষে চলছে নিয়মিত ক্লাসের পাঠদান।

জানা যায়, বিদ্যালয়টি ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মাণ করে। চার কক্ষবিশিষ্ট এই ভবনটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় ১৫ বছর আগে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এখনো একই স্থানে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১২১ জন। প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত আছেন। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিরাজ করছে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।

বিদ্যালয়টি অবস্থিত স্থানীয় আমিন পাটওয়ারী বিএসসির বাড়িতে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই ভবন দ্রুত অপসারণ করে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শরীফুল ইসলাম ফাহিম জানান, ভবনটি প্রায় ১৫ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নিলামের জন্যে আবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। নিলাম সম্পন্ন হলে ভবনটি ভেঙ্গে নতুন ভবনের জন্যে আবেদন করা হবে।

এদিকে এলাকাবাসী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি অপসারণ করে আধুনিক ও নিরাপদ নতুন ভবন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ।

ডিসিকে /এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়