প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ২২:৩৫
জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির আয়োজন
অভিবাসী কর্মীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে কর্মশালা

চাঁদপুরে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আইনি প্রক্রিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় সুইজারল্যান্ড সরকারের আর্থিক সহযোগিতা এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় সিম্স (Strengthened and Informative Migration Systems) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের 'এক্সেস টু জাস্টিস' কার্যক্রমের আওতায় কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, অভিবাসী কর্মীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সিম্স প্রকল্পের আওতায় চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুল হান্নান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির আহমেদ, জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সিনিয়র সিভিল জজ মো. সোহেল আহমেদ, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুর রহমান।
কর্মশালায় উপস্থাপনা করেন সিম্স প্রকল্পের কেস অ্যান্ড নলেজ ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা মো. হানিফ মাহমুদ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সমিতির সদস্য ও এক্সেস টু জাস্টিস প্রকল্প কর্মকর্তা অ্যাড. ফেরদৌস নিগার ও সিসিডিএ-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহতাব উদ্দিন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, অভিবাসী কর্মীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বিদেশে অসচেতনতা, প্রতারণা ও আইনি জটিলতার কারণে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েন। তাদের জন্যে আইনি সহায়তার পথ আরও সহজ ও দ্রুততর করা প্রয়োজন। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিবাসী কর্মীরা বিনামূল্যে অভিযোগ ও আইনি সহায়তা পেতে পারবেন বলেও জানানো হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও চাঁদপুর জেলা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. কোহিনুর বেগম এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও সিম্স প্রকল্পের সমন্বয়কারী অ্যাড. সাজ্জিদ আহমেদ।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আইনজীবী, সাংবাদিক, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।








