প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২০:১২
বাহারি পিঠা নিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের পিঠা উৎসব

চাঁদপুর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের আয়োজনে বর্ণিল পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) চাঁদপুর শহরের স্টেডিয়াম রোডস্থ কলেজ ক্যাম্পাসে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবে শিক্ষার্থীরা বাহারি সব পিঠা নিয়ে অংশগ্রহণ করে। এ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ১১টায় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. শিবলী সাদিক। উৎসব উপলক্ষে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্যে দশটি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিটি স্টলে বাহারি পিঠার পসরা সাজানো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো জামাই পিঠা, হৃদয়হরণ পিঠা, গোলাপ পিঠা, ডিম সুন্দরী পিঠা, তালের পিঠা, লিচু পিঠা, গোল পিঠা, পাটিসাপটা, পুডিং ও পায়েস । শুধু পিঠার নামেই নয়, স্টলগুলোর নামেও ছিল চমক- ‘পিঠালী’, ‘পিঠার প্যালেস’, ‘পিঠা ঘর’, ‘পিঠার রাজ্য’ ও ‘রস’। শিক্ষার্থীরা এসব স্টল নানা রঙে সৃজনশীলভাবে সাজিয়ে তোলে।
শিক্ষার্থীরা জানান, পিঠা শিল্পকে তুলে ধরতে তারা বাহারি পিঠার প্রদর্শনী করেছেন। এমন আয়োজন করতে পেরে তারা আনন্দিত।
অধ্যক্ষ মো. শিবলী সাদিক বলেন, প্রতিদিন আমরা একাকী, কিন্তু উৎসবের দিনে আমরা একত্রিত হই। যে কোনো উৎসব আমাদের শক্তিকে এক সুতোয় বাঁধে। বাঙালির বাঙালিয়ানা উৎসবের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ হয়। এই আয়োজন আমাদের ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়। পিঠা আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আজকের উৎসবে শিক্ষার্থীরা যে পরিশ্রম করেছে, তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি শিক্ষকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ নূর খান বলেন, পিঠা বাংলার ঐতিহ্যের প্রতীক। শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।
পিঠা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়াতুজ জোহা ও মেহেরাব হোসেন মুরাদ। উৎসবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।