প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৫৮
জেলেদের চাল চুরির ঘটনায় বিভাগীয় মামলা
ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ১১ দশমিক ২৫ টন চালের মধ্যে ৫ টন চাল চুরি করে বিক্রিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শামীমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সাথে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।
|আরো খবর
তিনি বলেন, রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) চাল জব্দের পর রাতেই ওই প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এরপর থেকে তাকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি জিজ্ঞাবাদ করে। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তবে ওই কর্মকর্তা শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তাকে সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম অভিযান চালিয়ে সিএসডি গোডাউন থেকে চুরি হয়ে যাওয়া ৪ হাজার ৯৩০ কেজি অর্থাৎ প্রায় ৫ টন চাল মিনি ট্রাকসহ জব্দ করেন। পরবর্তীতে ওই চাল সিএসডি গোডাউনে সংরক্ষণ করা হয়।
চুরি করে বিক্রি করে দেয়া চাল পরিবহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন পিকআপ চালক শাহাদাত। তিনি বলেন, চাঁদপুর কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি) গোডাউন থেকে তিনি ওই চালের ভাড়া নিয়ে কুমিল্লার লাকসাম যাচ্ছিলেন। চালের মালিকের নাম বলা হয়নি। বলা হয়েছে লাকসাম যাওয়া হলে ওই ব্যক্তির নাম দেয়া হবে। কিন্তু পথিমধ্যে হাজীগঞ্জে আসলে আমার কাছে ফোন আসে চালগুলো নিয়ে চাঁদপুরে ফেরত আসার জন্যে। বিক্রিত টোকেনে চালের পরিমাণ লেখা ছিলো ৪৯৩০ কেজি। চালের মালিকের নাম ছিলো না।
৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২২ দিন মা ইলিশ রক্ষায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। সেই আলোকে সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের ৪ হাজার ৯৭০ জেলের জন্য বরাদ্দ হয় ১১.২৫ মেট্রিক টন। কিন্তু ওই চাল নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে বিতরণ হয়নি।








