প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:২৬
চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো
---- আলহাজ্ব মোশারফ হোসাইন

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মো. মোশারফ হোসাইন বলেছেন, "সততা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা আমার কাজের মূলমন্ত্র। মহান আল্লাহ সুযোগ দিলে চাঁদপুর পৌরসভার প্রতিটি এলাকার উন্নয়নে আমি নিজেকে শতভাগ নিয়োজিত রাখবো।"
|আরো খবর
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর দাসদী এলাকার শেষ প্রান্তের দশানি দিঘিরপাড় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. জসিম উদ্দিন খানের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় মোশারফ হোসাইন আরো বলেন, "পৌরসভার শেষ প্রান্তের এই মসজিদে নামাজ আদায় করতে পেরে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করছি। দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় আসার ইচ্ছা ছিলো, আজ তা পূরণ হলো। এ এলাকার অধিকাংশ মানুষ নদীভাঙনের শিকার। আমিও একজন নদীভাঙনকবলিত মানুষ। তাই আপনাদের কষ্ট ও বাস্তবতা আমি ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারি।"
তিনি আরও বলেন, "জেলা শহরের এতো কাছে হওয়া সত্ত্বেও এ অঞ্চলটি কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ভালো ও সৎ নেতৃত্বের অভাবেই এখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিংবা মেয়র নির্বাচিত হলে আমার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে এ এলাকার উন্নয়নে কাজ করবো। ইনশাআল্লাহ, এ এলাকার চেহারা পরিবর্তনে আমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবো।’
উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আমি একজন ব্যবসায়ী। নিজের ব্যবসার উপার্জন থেকেই মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছি। আমার কাছে সবাই সমান। আপনাদের যে কোনো প্রয়োজনে আমাকে পাশে পাবেন।" এ সময় তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখারও আশ্বাস দেন।
আলোচনাশেষে দেশ, জাতি ও সমাজের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সবার কল্যাণ কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. ইলিয়াস মুন্সী।
এ সময় ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. মো. শফিকুর রহমানসহ স্থানীয় মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মোশারফ হোসাইন দশানি দিঘিরপাড় এলাকা ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শিশুদের মাঝে চকলেট বিতরণ করেন। এ সময় তিনি মসজিদ প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন বা স্থগিত মাদ্রাসাটি ঘুরে দেখেন এবং এর উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।








