শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫  |   ২০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে মাটি বোঝাই বাল্কহেডসহ আটক ৯
  •   কচুয়ায় কৃষিজমির মাটি বিক্রি করার দায়ে ড্রেজার, ভেকু ও ট্রাক্টর বিকল
  •   কচুয়ায় খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেছে শিশু সামিয়া
  •   কচুয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে
  •   ১ হাজার ২৯৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০০:০০

এক বছরে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশাব্যঞ্জক কার্যক্রম
নূরুল ইসলাম ফরহাদ ॥

২০২২ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যাপক কার্যক্রম হয়েছে। এই এক বছরে এটির আশাব্যঞ্জক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বেশ ক’টি বিভাগে ভালো কাজ হয়েছে। একটা সময় সংক্রমণ রোগের ভয়াবহতা ছিলো খুব বেশী। ভালো ব্যবস্থাপনার কারণে সংক্রমণ রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গত বছর অসংক্রমণ রোগ নিয়ে ব্যাপক কাজ করেছে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, এজমা, উচ্চ রক্তচাপ, জরায়ু ক্যান্সার রোগীসহ এক বছরে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৫শ’ ৯৬ জনকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নরমাল ডেলিভারী হয়েছে ১৫২ জনের, সিজার হয়েছে ৩৪ জনের, ভায়া (জরায়ুর মুখে ক্যান্সার) নিয়ে কাজ করা হয়েছে ১৩৫৯ জনের, কেএমসি ১০ জন, ডেঙ্গু ৩১ জন, (কোভিড-১৯) ১৯ জন, এনএসইউ ৭২ জন, আইএমসিআই ৭২০০ জন, এনসিডি (অসংক্রামক রোগ) ১৯২৩ জন, মাইনর সার্জারী ২১৪১ জন, প্যাথলজী হয়েছে ৩৮৫৬, আল্ট্রাসনোগ্রাম হয়েছে ৯৩ জন, ইসিজি হয়েছে ২১৪, কফ পরীক্ষা হয়েছে ৫৫৬ এবং এক্স-রে হয়েছে ৯১৭ জনের। এএনসি মানে প্রসব পূর্ববর্তী সেবা ১ম ধাপ ৯৯২ জন, ২য় ধাপে ৫১৬ জন, ৩য় ধাপে ২৯৫ জন এবং সর্বশেষ বা ৪র্থ ধাপে ২৯০ জনকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। প্রসব পরবর্তীতে দুই ধাপে মোট ২৭১ জনকে সেবা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বহিঃবিভাগে গত এক বছরে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে ৭৫৭৩৫ জনকে, আন্তঃবিভাগে চিকিৎসা নিয়েছে ৪৬০১ জন এবং জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিয়েছে ১৫২৯৯ জন।

এছাড়া বেশ কয়েক বছর ধরে এখানে হোমিওপ্যাথি এবং দন্ত চিকিৎসা হচ্ছে। এ সেবা পেয়ে সাধারণ মানুষ অনেক খুশি। ঔষধ সঙ্কট ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অন্যান্য বিভাগে ভালোই কাজ করছে।

এ বিষয়ে মেডিকেল অফিসার (আর.এম.ও) ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমরা সকল ধরনের রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। সেবার মান অতীতের যে কোনো সময়ের চাইতে বর্তমানে অনেক ভালো রয়েছে। হাসপাতালে কর্মরত সকল চিকিৎসক রোগীদেরকে অতীতের চেয়ে বেশী সেবা দেয়ার চেষ্টা করছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আশরাফ আহমেদ চৌধুরী এ প্রতিনিধিকে বলেন, বিগত বছর চেষ্টা করেছি উপজেলাবাসীকে ভালো সেবা দিতে। সেবার মান যেমন বেড়েছে, চিকিৎসকের সংখ্যাও বেড়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্যে নতুন নতুন মেশিন সংযোজন হয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে ২০২৩ সাল আরো সুন্দরভাবে কাটাতে চাই। তিনি আরো বলেন, ২০২১ সালে হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। ডাক্তারদের সঙ্কট না থাকলেও ৩য়, ৪র্থ শ্রেণির কিছু কর্মচারীর সঙ্কট রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়